পশ্চিম এশিয়ার রণক্ষেত্রে যখন বারুদের গন্ধ, তখন আলোচনার টেবিলে সমাধান খুঁজতে মরিয়া ব্রিটেন। আমেরিকার সামরিক অভিযানের ডাক এড়িয়ে এবার কূটনীতির পথে হাঁটলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার। হরমুজ প্রণালীর অচলাবস্থা কাটাতে ভারত সহ বিশ্বের ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে লন্ডনে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের ডাক দিয়েছেন তিনি। ভারতের বিদেশ সচিব ইতিমধ্যেই সেই বৈঠকে যোগ দিতে রওনা দিয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সাফ জানিয়েছেন যে, হরমুজ অবরোধে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলিকে নিজেদের শক্তিতেই পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। আমেরিকার এই অনড় অবস্থানের পাল্টা হিসেবেই ব্রিটেনের এই বহুপাক্ষিক বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গত ২ মার্চ থেকে ইরান হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল পরিবহন থমকে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার আশঙ্কা, সমাধান না হলে এপ্রিলেই বিশ্বজুড়ে তীব্র হাহাকার শুরু হবে।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, দিল্লি এই সংকটে সব পক্ষের সঙ্গে সংলাপ বজায় রাখছে। বিশেষ করে এলপিজি ও এলএনজি-র মতো প্রয়োজনীয় পণ্যবাহী জাহাজগুলির নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই ভারতের মূল লক্ষ্য। কূটনৈতিক তৎপরতার জেরে ইতিমধ্যেই অন্তত ছ’টি ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে হরমুজ পার হতে পেরেছে। পশ্চিম এশিয়ার এই জটিল পরিস্থিতিতে ভারত যুদ্ধের বদলে শান্তিতেই আস্থা রাখছে।





