হরমজে ফের যুদ্ধের দামামা! ড্রোন হামলার বদলা নিল আমেরিকা, ইরান সীমান্তে বিমান হানায় কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা! মাত্র এক সপ্তাহ আগে হওয়া যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল পারস্য উপসাগর। গত ২৫ জুন ওমান উপকূলের কাছে সিঙ্গাপুরের একটি মালবাহী জাহাজে ইরানের ছোড়া আত্মঘাতী ড্রোন হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাল মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড। আমেরিকার দাবি, জাহাজটিকে নিশানা করে মোট চারটি ড্রোন ছোড়া হয়েছিল, যার মধ্যে তিনটিকে ধ্বংস করা সম্ভব হলেও একটির আঘাতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এই উস্কানিমূলক ঘটনার ঠিক ২৪ ঘণ্টা পরেই শুক্রবার আমেরিকার বিমান বাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে ঢুকে তাদের ড্রোন, মিসাইল ডিপো এবং তটরেখার রাডার সাইট লক্ষ্য করে বিধ্বংসী বিমান হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিষয়টিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির ‘মূর্খতাময় লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছেন। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের হুঙ্কার, “এর ফল ইরানকে খুব দ্রুতই ভুগতে হবে।” যদিও কোনো নাবিক হতাহত হননি, তবে এই ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন পারস্য উপসাগরে তাদের উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। জবাবে ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ডস (IRGC) দাবি করেছে, তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো ঘাঁটি বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে তেহরান এখনও নীরব। খতম আল-বানিয়া কমান্ডের প্রবক্তা ইব্রাহিম আলফিকারের হুঁশিয়ারি, ইরান এখন নিজস্ব সময় ও সুবিধামতো জবাব দিতে প্রস্তুত। এই দ্বিপাক্ষিক রেষারেষিতে মধ্যপ্রাচ্য তথা বিশ্ব অর্থনীতিতে ফের অনিশ্চয়তার কালো মেঘ ঘনাল।