স্মৃতি ইরানি থেকে বরুণ গান্ধী! উত্তরপ্রদেশ রাজ্যসভার টিকিটের দৌড়ে কাদের নাম নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে?

আসন্ন উত্তরপ্রদেশ রাজ্যসভা নির্বাচনে বিধানসভার আসন সংখ্যার সমীকরণ অনুযায়ী ১০টি আসনের মধ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি একাই ৮টিতে জয়ের প্রবল সম্ভাবনা নিয়ে এগোচ্ছে। পুরনো মুখগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটবে নাকি নতুনদের ওপর ভরসা রাখবে দল—তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে আলোচনা করতে লখনউতে দলের কোর কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রাজ্য সভাপতি ভূপেন্দ্র চৌধুরী এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ধর্মপাল সিংয়ের মতো শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে তৈরি এই প্যানেলটি এখন অনুমোদনের জন্য দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হচ্ছে। এদিকে রাজ্যসভার টিকিট পাওয়ার দৌড়ে হেভিওয়েট নেতাদের নাম জোরালোভাবে উঠে আসছে। বিশেষ করে স্মৃতি ইরানি এবং হরিশ দ্বিবেদীর নাম নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা চলছে। গত লোকসভা নির্বাচনে আমেঠি থেকে হেরে যাওয়ার পর এবার স্মৃতি ইরানিকে রাজ্যসভায় ফিরিয়ে আনার গুঞ্জন জোরালো হয়েছে। পাশাপাশি, বরুণ গান্ধীর নাম নিয়েও দলের অন্দরে ও বাইরে ব্যাপক পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে টিকিট না পাওয়া বরুণ সম্প্রতি সপরিবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করায় তাঁর রাজনৈতিক পুনর্বাসন নিয়ে চর্চা বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। এছাড়া বর্তমান সাংসদ বি.এল. ভার্মা, ব্রিজলাল, গীতা শাক্য এবং সীমা দ্বিবেদীর পাশাপাশি চার-পাঁচটি নতুন মুখের নামও বিবেচনাধীন রয়েছে। আগামী ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে এই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ও সামাজিক বা জাতিগত সমীকরণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। পূর্বাঞ্চল, পশ্চিম উত্তর প্রদেশ ও বুন্দেলখণ্ডের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং জাঠ, ওবিসি, দলিত ও ব্রাহ্মণ ভোটারদের সন্তুষ্ট করতে বিশেষ ছক কষা হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের সমীকরণ মেলাতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জীব বালিয়ানের নামও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জাতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের সমন্বয়ে গঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত সিলমোহর দেবে এবং অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।