স্ত্রী খুনের ছক Phone-Pe চ্যাটে! বেঙ্গালুরুর সার্জনের কাণ্ড দেখে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের

বেঙ্গালুরুর চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ কৃত্তিকা রেড্ডি হত্যাকাণ্ডে উঠে এল রোমহর্ষক তথ্য। প্রায় এক বছর আগে ঘটে যাওয়া এই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মহেন্দ্র রেড্ডির বিরুদ্ধে অকাট্য ডিজিটাল প্রমাণ হাতে পেয়েছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, হোয়াটসঅ্যাপে ধরা পড়ার ভয়ে অভিযুক্ত সার্জন বার্তা আদান-প্রদানের জন্য ইউপিআই পেমেন্ট অ্যাপ (যেমন Phone-Pe) ব্যবহার করতেন। সেখানেই তাঁর প্রেমিকা হরিষ্ঠার সঙ্গে খুনের পরিকল্পনা ও ধামাচাপা দেওয়ার কথোপকথন উদ্ধার করা হয়েছে।

২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল কৃত্তিকা বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে মহেন্দ্র তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নিজের চিকিৎসা জ্ঞান ব্যবহার করে চেতনানাশক ওষুধের ওভারডোজ দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে মহেন্দ্রর বিরুদ্ধে। পুলিশ প্রায় ১০ লক্ষাধিক ডিজিটাল ফাইল ও ফরেনসিক তথ্য উদ্ধার করেছে, যার মধ্যে একটি চ্যাটে মহেন্দ্র লিখেছিলেন, “আমার কাছে কোনও প্রমাণ নেই কিন্তু আমি কৃত্তিকাকে হত্যা করেছি। আমি জেলে যাব।”

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বিয়ের পর থেকেই জনৈক নার্সের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মহেন্দ্র। খুনের পর নিজেকে ‘খুনি’ হিসেবে উল্লেখ করে একাধিক মেসেজ পাঠান তিনি। সংগৃহীত ফরেনসিক প্রমাণ ও অপরাধ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আদালত অভিযুক্ত চিকিৎসকের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy