দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গারামপুরে এক বৃদ্ধের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম অতুল চন্দ্র সেন (৭২)। বুধবার বিকেলে স্ত্রীর সঙ্গে সামান্য বিবাদের জেরে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁরই আদি বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।
ঘটনার পটভূমি: পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অতুলবাবু গত দু’বছর ধরে গঙ্গারামপুর শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের পুরান পাড়ায় তাঁর জামাই বিশ্বনাথ সরকারের বাড়িতে স্ত্রীসহ থাকতেন। বুধবার বিকেলে কোনও একটি বিষয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। অভিমানে তখনই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান তিনি। রাতে আর ফিরে না আসায় দুশ্চিন্তায় পড়েন পরিবারের সদস্যরা। চারদিকে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর হদিশ মেলেনি।
উদ্ধার ও পুলিশের ভূমিকা: বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর আদি বাড়িতে খোঁজ নিতে গিয়ে জামাই বিশ্বনাথবাবু দেখেন, অতুলবাবুর দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে বালুরঘাট সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
মৃতের জামাই বিশ্বনাথ সরকার জানান, “মাঝে মাঝে ঝামেলা হলে উনি অভিমান করে বেরিয়ে যেতেন, আবার ফিরেও আসতেন। কিন্তু এবার যে এমন কাণ্ড ঘটিয়ে বসবেন, তা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি।” পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। এটি নিছকই অভিমান থেকে আত্মহত্যা নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।