“স্তাবকদের দিয়ে ভোট করানো অসম্ভব!” প্রশাসনের বড় রদবদলের পর মমতাকে কড়া তোপ শুভেন্দুর

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই নবান্নের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার গভীর রাতে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ও স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনাকে সরানোর পর সোমবার সকালেই রাজ্য পুলিশে বড়সড় কোপ বসিয়েছে কমিশন। অপসারিত হয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার। কমিশনের এই “ঝড়ো ব্যাটিং”-কে স্বাগত জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্তাবকদের দিয়ে নিরপেক্ষ ভোট করানো অসম্ভব। এই অফিসাররা তৃণমূলের ক্যাডার হিসেবে কাজ করছিলেন।”

কমিশনের পদক্ষেপ ও শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া: এদিন শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানরা যে নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন না, তা প্রমাণিত। তাঁর কথায়, “নির্বাচন কমিশন ঠিক কাজই করেছে। যারা মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত অনুগত হয়ে কাজ করেন, তাঁদের অধীনে অবাধ ভোট সম্ভব নয়। আমরা বারবার অভিযোগ করেছিলাম যে মুখ্যসচিব থেকে শুরু করে পুলিশ কমিশনার— সকলেই শাসকদলের নির্দেশ পালন করছেন। কমিশন সেই সত্যতা বুঝতে পেরেছে।”

বিস্ফোরক অভিযোগ: শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তৃণমূল সরকার পরিকল্পনা করেছিল তাঁদের “পছন্দের আধিকারিকদের” দিয়ে নির্বাচনের বুথ নিয়ন্ত্রণ করার। তিনি বলেন, “পুলিশের নিচুতলা থেকে ওপরতলা পর্যন্ত স্তাবকে ভরে গিয়েছে। তবে এবার আর রক্তারক্তি বা ছাপ্পা ভোট করে পার পাওয়া যাবে না। কমিশন আরও আধিকারিক বদল করবে, তালিকা এখনও শেষ হয়নি।”

তৃণমূলের পাল্টা জবাব: এদিকে শুভেন্দুর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্ররা জানিয়েছেন, “বিজেপি আসলে নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। অফিসার বদল করে মমতাকে মানুষের হৃদয় থেকে মোছা যাবে না।”

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy