শহরের নামী স্কুলগুলোতে ভর্তির মরসুম শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং উদ্বেগের ধাপ হলো বাচ্চার ইন্টারভিউ। অনেক সময় দেখা যায়, বাড়িতে খুব চটপটে শিশুও ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে গিয়ে চুপ হয়ে যায়। আসলে প্রশ্নগুলো কঠিন নয়, কিন্তু অপরিচিত পরিবেশে ঘাবড়ে যাওয়াই প্রধান সমস্যা। তাই ইন্টারভিউয়ের আগে অন্তত এই ৬টি সাধারণ অথচ বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্নের প্রস্তুতি আপনার সন্তানকে কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখবে।
১. তোমার নাম এবং তোমার বাবা-মায়ের নাম কী? এটি অত্যন্ত সাধারণ প্রশ্ন হলেও বাচ্চার আত্মবিশ্বাস মাপার প্রথম ধাপ। তাকে স্পষ্ট স্বরে পূর্ণ বাক্যে নাম বলা শেখান।
২. তোমার প্রিয় রং, খাবার বা খেলনা কোনটি? স্কুল কর্তৃপক্ষ দেখতে চায় বাচ্চার নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ তৈরি হয়েছে কি না। উত্তরের পেছনে ‘কেন প্রিয়’ তার একটি ছোট কারণ (যেমন- লাল আপেল খেতে মিষ্টি) যোগ করলে উত্তরটি আরও আকর্ষণীয় হয়।
৩. বড় হয়ে তুমি কী হতে চাও? এখানে উত্তরটি ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়াই বড় কথা নয়, বরং বাচ্চার কল্পনাশক্তি যাচাই করা হয়। সে যা হতে চায়, তা যেন আনন্দের সাথে বলতে পারে।
৪. তোমার প্রিয় বন্ধু কে এবং কেন? সামাজিক মেলামেশার ক্ষমতা বোঝার জন্য এই প্রশ্নটি করা হয়। বন্ধুর সাথে খেলাধুলা বা টিফিন ভাগ করে খাওয়ার কথা বললে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
৫. ছবি দেখে চিনতে পারা: ইন্টারভিউতে প্রায়ই বিভিন্ন পশুপাখি, ফল বা রঙের কার্ড দেখানো হয়। বাড়িতে খেলার ছলে তাকে এগুলো চিনতে সাহায্য করুন।
৬. সাধারণ আদবকেতা: ঘরে ঢোকার সময় ‘May I come in?’ বা কথা শেষ করে ‘Thank you’ বলা—এই ছোট বিষয়গুলোই ইন্টারভিউয়ারদের নজর কাড়ে। মনে রাখবেন, মুখস্থ বিদ্যা নয়, বরং বাচ্চার সহজ ও সাবলীল প্রকাশই ভর্তির চাবিকাঠি।