ছোটবেলায় আমরা রূপকথার গল্পে পড়েছি সোনার ডিম পাড়া মুরগির কথা। কিন্তু বাস্তবে কি এমনটা সম্ভব? হয়তো ডিম পাড়েনি, কিন্তু পেট কাটতেই যে সম্পদ বেরিয়ে এল, তাতে এক ব্যক্তির ভাগ্য বদলে গেল এক নিমেষেই। বাস্তবের এই আশ্চর্য ঘটনাটি ঘটেছে এক গ্রামে, যেখানে একটি সাধারণ হাঁস তাঁর মালিককে রাতারাতি কোটিপতির তালিকায় নাম লিখিয়ে দিল।
ঘটনাটি ঠিক কী? ওই ব্যক্তি তাঁর পালিত একটি হাঁসকে বিক্রির উদ্দেশ্যে বা খাবারের জন্য জবাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু হাঁসের পেট পরিষ্কার করতে গিয়েই তিনি থমকে যান। পেটের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে একের পর এক চকচকে হলুদ পিণ্ড। প্রথমে বিশ্বাস করতে না পারলেও পরে দেখা যায় সেগুলি আসলে খাঁটি সোনা! ছোট ছোট দানার আকারে প্রায় কয়েকশ গ্রাম সোনা ওই হাঁসের পেটে সঞ্চিত ছিল। স্থানীয় স্বর্ণকারের কাছে নিয়ে গেলে তিনি নিশ্চিত করেন যে এগুলি অত্যন্ত উন্নতমানের সোনা।
বিজ্ঞানীদের মতে, অনেক সময় হাঁস খাবার খোঁজার সময় নদী বা জলাশয়ের তলদেশ থেকে ছোট ছোট নুড়ি পাথর বা ধাতব কণা গিলে ফেলে। কাকতালীয়ভাবে ওই হাঁসটি সম্ভবত এমন কোনো জায়গায় চড়ে বেড়াত যেখানে বালির সাথে সোনার কণা মিশে ছিল। বছরের পর বছর সেই কণাগুলি হাঁসটির পাকস্থলীতে জমা হয়ে এক বড় পিণ্ডে পরিণত হয়েছে। এই অবিশ্বাস্য ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ওই ব্যক্তির বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন শত শত উৎসুক মানুষ। রূপকথাকে হার মানিয়ে এক সাধারণ হাঁসের মাধ্যমেই এখন ওই ব্যক্তির ভাগ্য এখন মধ্যগগনে।