২০২৬-এর হাইভোল্টেজ রাজনীতির ময়দান এবার সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে। আইপ্যাক (I-PAC) দফতরে ইডির অভিযানে সরাসরি বাধা দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ ‘লুট’ করার অভিযোগে আজ সুপ্রিম কোর্টে বহুপ্রতীক্ষিত শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজে নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ জানুয়ারি, ২০২৬। কয়লা পাচার ও আর্থিক তছরূপের তদন্তে আইপ্যাক সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। অভিযোগ, সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং সেখানে পৌঁছে যান এবং একটি ‘সবুজ ফাইল’ নিয়ে বেরিয়ে আসেন। ইডির দাবি, ওই ফাইলে তদন্তের মোড় ঘোরানোর মতো নথি ছিল। আধিকারিকদের মোবাইল কেড়ে নেওয়া এবং ডিজি রাজীব কুমারের উপস্থিতিতে তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে ইডি “ডাকাতি”র সঙ্গে তুলনা করেছে।
অন্যদিকে, তৃণমূলের হয়ে আইনজীবী কপিল সিব্বল এই অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। মমতার দাবি, তিনি কেবল দলীয় নথি রক্ষা করতে গিয়েছিলেন। তবে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চ এই ঘটনায় “আইনহীনতা”র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ ও ইডির অফিসারদের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের এফআইআর-এর ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে আদালত আজ কোন পথে হাঁটে, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।