সিট-এর জালে বারুইপুরকাণ্ডের মূল চক্রী! পরিস্থিতি সামলাতে জারি ১৬৩ ধারা

বারুইপুরে ১২ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় অবশেষে পুলিশের জালে মূল অভিযুক্ত আনন্দ সরদার। এই নিয়ে গোটা ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের জেরা করে ঘটনার গভীরতা বুঝতে আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। এদিকে, চাঞ্চল্যকর এই খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে ৬ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে এই দলটি অপরাধীদের শনাক্ত করতে কাজ করছে।
ঘটনার পর থেকে বারুইপুর, নরেন্দ্রপুর এবং সোনারপুর থানা এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা দানা বাঁধতে পারে, এই আশঙ্কায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNS) ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। এলাকাটি কার্যত পুলিশি দুর্গ হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও অশান্তি রুখতে রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে বিভিন্ন জেলা থেকে অভিজ্ঞ পুলিশ আধিকারিকদের এই এলাকায় নিয়ে আসা হয়েছে, যাদের পূর্ব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
আজও বারুইপুরের পরিবেশ থমথমে। জনমনে আতঙ্কের পাশাপাশি অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জোরালো হচ্ছে। অশান্তি এড়াতে বিশাল পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। টহল দিচ্ছে রুট মার্চকারী বাহিনী। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। তদন্তকারী দলের দাবি, খুব শীঘ্রই বাকি অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হবে এবং চার্জশিট জমা দিয়ে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার দিকে এগোবে প্রশাসন।