গোল্ডেন মন্দিরে ইউটিউবারকে চরম নিগ্রহ! জোর করে পায়ে ধরানোর ঘটনায় শিউরে উঠলেন নেটিজেনরা

অমৃতসরের পবিত্র স্বর্ণমন্দিরে (Golden Temple) রাতের বেলা ভ্লগ বানাতে গিয়ে চরম হেনস্থার শিকার হলেন এক ট্রাভেল ভ্লগার। বিহারের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম নমেড কুঞ্জন। ইনস্টাগ্রামে তাঁর শেয়ার করা একটি ভিডিও ঘিরে বর্তমানে দেশজুড়ে তুমুল চাঞ্চল্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ভ্লগার কুঞ্জনের অভিযোগ, মন্দির চত্বরে রাত ৮ টার পর বা সাধারণ সময়ে ভিডিও শুট করার সময় মন্দিরের পাহারাদার নিহং সর্দাররা তাঁর ওপর চড়াও হন। তাঁর ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে সমস্ত ভিডিও ডিলিট করে দেওয়া হয় এবং তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্থা করা হয়।
কুঞ্জনের দাবি অনুযায়ী, পাহারাদাররা তাঁকে জোর করে একটি বন্ধ ঘরে নিয়ে যান এবং সেখানে উপস্থিত সমস্ত নিহংদের পা ছুঁতে বাধ্য করেন। অপমানে কান্নায় ভেঙে পড়া তরুণ এই ঘটনাকে তাঁর জীবনের ‘সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিরोमণি গুরুদুয়ারা প্রবন্ধক কমিটি (SGPC)-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গোল্ডেন টেম্পল চত্বরে ভিউগ্রাফি বা রেকর্ডিংয়ের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কেউ নিয়ম ভাঙলে পাহারাদাররা শুধু বাধা দেন, মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, স্বর্ণমন্দিরে বিতর্কিত বা অনভিপ্রেত ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে মুখের ট্যটু বিতর্ক, ২০২৪ সালের জুনে ফ্যাশন ডিজাইনারের যোগাসন বিতর্ক, এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে পবিত্র সরোবরে মুসলিম ইনফ্লুয়েন্সারের ধোয়াধুই সংক্রান্ত ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। বারবার এমন ঘটনা কেন ঘটছে, তা নিয়ে এখন নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।