সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। বাজারে প্রচলিত প্যারাসিটামল, অ্যান্টিবায়োটিক থেকে শুরু করে ইঞ্জেকশনের সূচ ও ক্যাথিটারের মতো অত্যন্ত জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম গুণমান পরীক্ষায় ডাহা ‘ফেল’ করেছে। ড্রাগ কন্ট্রোলের সাম্প্রতিক রিপোর্টে এই ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তড়িঘড়ি কড়া পদক্ষেপ নিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর এই সমস্ত ওষুধের ব্যবহার ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
রিপোর্টে দেখা গেছে, ফরিদাবাদ ও হিমাচল প্রদেশের নামী সংস্থার তৈরি হাইপোডারমিক সূচ ‘স্টেরিলিটি’ ও ‘ক্লিনলিনেস’ টেস্টে পাশ করতে পারেনি। অর্থাৎ, এই সূচ ব্যবহারের ফলে রোগীদের শরীরে সংক্রমণের প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। এমনকি বেলুন ক্যাথিটারে মিলেছে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াল এনডোটক্সিন। এছাড়াও ১৯টি ব্র্যান্ডের রক্তচাপের ওষুধ (টেলমিসার্টন), ২১ ধরনের প্যারাসিটামল এবং ২০টি নামী ব্র্যান্ডের অ্যান্টিবায়োটিক (অ্যাজিথ্রোমাইসিন, ডক্সিসাইক্লিন) গুণমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। সাধারণ স্যালাইন ও রিঙ্গার ল্যাক্টেডও রয়েছে এই ‘ব্ল্যাক লিস্টে’।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ড্রাগ কন্ট্রোলের তালিকায় থাকা ১৯৮টি ওষুধ ও সরঞ্জামের কোনো রকম কেনা-বেচা বা প্রয়োগ করা চলবে না। সমস্ত ওষুধ বিক্রেতা, পাইকারি কারবারি এবং হাসপাতালগুলিকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে যাতে এই ওষুধের স্টক অবিলম্বে সাপ্লাই চেন থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। সাধারণ মানুষকেও ওষুধ কেনার আগে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।





