সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিদিন কত কিছুই না ভাইরাল হয়, কিন্তু যা সম্প্রতি নেটিজেনদের সামনে এসেছে, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। আমরা সাধারণত মানুষ কিংবা বড়জোর কুকুর-বিড়ালকে নেবুলাইজার বা ইনহেলার নিতে দেখেছি। কিন্তু বিশালকার এক ভয়ঙ্কর অজগরও যে শ্বাসকষ্টে ভুগতে পারে এবং তাকেও মানুষের মতো নেবুলাইজ করা সম্ভব, তা দেখে তাজ্জব বনে গেছেন নেটপাড়ার বাসিন্দারা। অনেকেই বলছেন, “সাত জন্মে এমন বিরল দৃশ্য আগে কখনও দেখিনি।”
ঘটনাটি প্রকাশ্যে এনেছেন এড টাওকা নামক এক ব্যক্তি, যিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বিশাল এক স্ত্রী অজগরের চিকিৎসার ভিডিও শেয়ার করেছেন। এড গত ১০ বছর ধরে সনি এবং চের নামক দুটি বিশালাকার রেটিকুলেটেড পাইথনের সঙ্গে একই ছাদের নিচে বসবাস করছেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ভয়ঙ্কর সাপেদের সঙ্গেই তিনি নিজের ছোট মেয়েকেও বড় করছেন। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি তাঁর প্রিয় পোষা অজগর ‘রানি’কে নেবুলাইজ করছেন। যখন নেবুলাইজারের নজলটি সাপের মুখের কাছে আনা হলো, তখন কোনো আক্রমণাত্মক আচরণ না করে অত্যন্ত শান্তভাবে সে ওষুধটি গ্রহণ করতে শুরু করল।
ভিডিওটি ভাইরাল হতেই কমেন্ট বক্সে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমেছে। এক ব্যবহারকারী অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, “সাপ কি মানুষের মতো হাঁচি দিতে পারে?” এড টাওকা উত্তরে যা জানিয়েছেন তা আরও বিস্ময়কর। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, সাপ শুধু হাঁচিই দেয় না, তারা বায়ুও ত্যাগ করে (পাদ দেয়)। আর সেই গ্যাসের গন্ধ অনেকটা প্রক্রিয়াজাত হ্যামের (Processed Ham) মতো!”
আরেক নেটিজেন প্রশ্ন করেন, “সাপ তো দম ধরে রাখতে পারে, তবে সে যে ওষুধটি নিচ্ছে তা বুঝলেন কীভাবে?” এড জানান, সাপের নিচের চোয়ালের সূক্ষ্ম নড়াচড়া দেখে তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন যে সাপটি ওষুধ গিলছে। বন্যপ্রাণের প্রতি ভালোবাসা এবং এমন বিরল চিকিৎসার দৃশ্যটি বর্তমানে নেটদুনিয়ার হট টপিক। বিজ্ঞান আর অদ্ভুত অভ্যাসের এই মিশেল সত্যিই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের হতবাক করে দিয়েছে।





