মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে যখন বারুদের গন্ধ তীব্রতর হচ্ছে, ঠিক তখনই কূটনৈতিক মঞ্চে নতুন মাত্রা যোগ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ফোনালাপ। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনেই-এর মৃত্যুর পর অঞ্চলজুড়ে তৈরি হওয়া অস্থির পরিস্থিতির মাঝেই মোদীকে ফোন করেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। ভারতকে ‘সত্যের পক্ষ’ এবং ‘ইজরায়েলের পাশে’ থাকা অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে অভিহিত করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নেতানিয়াহু।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নেতানিয়াহু বলেন, “আমি আমার মহান বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে কথা বলেছি। ইজরায়েলের প্রতি ভারতের মানুষের যে গভীর শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্ব রয়েছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।” যদিও দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে ঠিক কী কী রণকৌশলগত আলোচনা হয়েছে, তা গোপনেই রাখা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদী ভারতের পক্ষ থেকে শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংঘাতের আবহে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানই দিল্লির প্রধান লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, ওমান উপসাগরে তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলায় এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হওয়ায় ভারত সরকার ইতিমধ্যেই উদ্বেগে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী সৌদি আরবের যুবরাজ থেকে শুরু করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। একদিকে ইজরায়েলের সঙ্গে নিবিড় বন্ধুত্ব রক্ষা, অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ ভারতীয়র নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মোদী সরকারের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।