আদালতের রায়ে আরও বাড়ল জেল হেফাজতের মেয়াদ। কিন্তু সেই নির্দেশে ভেঙে পড়া তো দূরস্ত, উল্টে মেজাজ চড়া করে বিস্ফোরক দাবি করলেন ‘ননসেন’ শমীক। আলিপুর আদালত চত্বরে সোমবার যখন তাঁকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হচ্ছিল, তখন উপস্থিত সাংবাদিকদের ভিড় দেখে গলা উঁচিয়ে তিনি বলেন, “সত্যিটা শুনে কেউ হতাশ হবেন না। খুব শীঘ্রই সবটা পরিষ্কার হবে।”
শমীকের এই রহস্যময় মন্তব্য এখন আলোচনার তুঙ্গে। কেন তিনি ‘হতাশ’ না হওয়ার পরামর্শ দিলেন? তবে কি তাঁর কাছে এমন কোনো তথ্য আছে যা প্রকাশ্যে এলে বড় কোনো কেলেঙ্কারি ফাঁস হতে পারে? উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক তছরুপ এবং দুর্নীতির মামলায় তদন্ত চলছে। এদিনের শুনানিতে পুলিশি হেফাজত শেষে তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।
আদালত থেকে বেরোনোর সময় তিনি আরও যোগ করেন, “ষড়যন্ত্র করে আমাকে আটকে রাখা যাবে না। সত্যের জয় হবেই।” রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শমীক আসলে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন। আবার অন্য অংশের মতে, তাঁর এই হুঙ্কার আসলে তদন্তকারীদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির কৌশল। এখন দেখার, শমীকের এই ‘সত্যিটা’ আদতে কী এবং তা প্রকাশ্যে এলে রাজনীতির সমীকরণ কতটা বদলায়।