বঙ্গ রাজনীতির ময়দানে ফের বড় চমক! ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ নির্বাচনের আগে কেন শুভেন্দু অধিকারীকে ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম— দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী করার পথে হাঁটছে বিজেপি? এই প্রশ্ন যখন রাজ্য রাজনীতির অন্দরে তুঙ্গে, ঠিক তখনই গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে বিষয়টি খোলসা করলেন শমীক ভট্টাচার্য। দলের প্রতীক এবং শুভেন্দুর জনপ্রিয়তা— এই দুইয়ের রসায়নেই কি ঘাসফুল শিবিরকে মাত দিতে চাইছে পদ্ম বাহিনী? শমীকের কথাতে মিলল সেই ইঙ্গিত।
নন্দীগ্রাম থেকে গতবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু। অন্যদিকে ভবানীপুর হলো খোদ মুখ্যমন্ত্রীর গড়। বিজেপি সূত্রের খবর, শুভেন্দুকে এই দুই কেন্দ্রে প্রার্থী করার পেছনে রয়েছে এক গভীর রণকৌশল। শমীক ভট্টাচার্য সাফ জানিয়েছেন, দলের কর্মীরা এবং জনতা শুভেন্দুকে লড়াইয়ের মুখ হিসেবে দেখতে চায়। তাঁর কথায়, “শুভেন্দু অধিকারী এমন একজন জননেতা যিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ নিতে জানেন। ভবানীপুর বা নন্দীগ্রাম— প্রতীক হাতে যেখানেই তিনি দাঁড়াবেন, সেখানেই লড়াই হবে সমানে সমানে।”
রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দুকে দুই কেন্দ্রে দাঁড় করিয়ে একদিকে যেমন তৃণমূলের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করতে চাইছে বিজেপি, অন্যদিকে হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক এবং লড়াকু ভাবমূর্তিকে কাজে লাগিয়ে পুরো দক্ষিণবঙ্গকে বার্তা দিতে চাইছে তারা। শমীকের এই মন্তব্যের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকেও পাল্টা আক্রমণ ধেয়ে আসছে। সব মিলিয়ে, দুই কেন্দ্রের এই ‘অধিকারী ফ্যাক্টর’ এখন বাংলার রাজনীতির সবথেকে বড় চর্চার বিষয়। লড়াইটা যে এবার সরাসরি ‘দিদি বনাম শুভেন্দু’ হতে চলেছে, শমীকের বক্তব্যে তা কার্যত সিলমোহর পড়ে গেল।