শত্রুঘাঁটিতে হার্টবিট ট্র্যাক! সিআইএ-র গোপন অস্ত্র ‘গোস্ট মার্মার’-এর কেরামতিতে উদ্ধার মার্কিন পাইলট

ইরানের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে যেন হলিউড থ্রিলারকেও হার মানাল এক বাস্তব উদ্ধার অভিযান। ইরানের গুলিতে মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ধ্বংস হওয়ার পর শত্রুসেনার ঘেরাটোপে আটকে পড়েছিলেন এক আমেরিকান এয়ারম্যান। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে ইরানি বাহিনী তাঁকে খুঁজে বেড়ালেও, শেষ পর্যন্ত আমেরিকার ‘সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি’ (CIA) এক অভাবনীয় প্রযুক্তির সাহায্যে তাঁকে উদ্ধার করে। এই গেম-চেঞ্জিং প্রযুক্তির নাম— ‘গোস্ট মার্মার’ (Ghost Murmur)।

‘নিউইয়র্ক পোস্ট’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রথম যুদ্ধক্ষেত্রে ‘গোস্ট মার্মার’ প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ ঘটল। এটি মূলত ‘লং-রেঞ্জ কোয়ান্টাম ম্যাগনেটোমেট্রি’ ব্যবহার করে মাইলের পর মাইল দূর থেকে মানুষের হৃদপিণ্ডের অনন্য ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগনেচার বা ‘ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ শনাক্ত করতে পারে। পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে থাকা ওই অফিসারের হৃদস্পন্দনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর সাহায্যে পরিবেশের অন্যান্য শব্দ ও কম্পন থেকে আলাদা করে চিনে নেয় এই যন্ত্র। লকহিড মার্টিনের গোপন বিভাগ ‘স্কাঙ্ক ওয়ার্কস’-এ তৈরি এই প্রযুক্তিটি প্রায় ৪০ মাইল দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করতে সক্ষম। খোদ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই অভিযানের সাফল্যের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই প্রযুক্তির মূল মন্ত্রই হলো— “যতক্ষণ তোমার হৃদস্পন্দন সচল, ততক্ষণ তুমি আমাদের নজরের বাইরে নও।”

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy