ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইয়ের মৃত্যুতে মধ্যপ্রাচ্যের বারুদের আঁচ এসে পৌঁছাল হিমালয়ের পাদদেশে। শিয়া-অধ্যুষিত লাদাখের কার্গিল জেলায় আজ সকাল থেকেই নেমেছে মানুষের ঢল। “ন্যায়ের সূর্য কখনো নেভে না”—এই স্লোগান তুলে হাজার হাজার মানুষ খামেনেইয়ের ছবি ও কালো পতাকা হাতে রাজপথে সামিল হয়েছেন। আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনেইয়ের “শাহাদাত” বা মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই কার্গিলের বাজার ও রাস্তাঘাট কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে।
লাদাখের বর্তমান পরিস্থিতি:
-
প্রতিবাদ মিছিলে উত্তাল: কার্গিলের হুসেনি পার্ক থেকে শুরু করে ইনকিলাব মঞ্জিল পর্যন্ত প্রতিটি রাস্তা এখন কালো পোশাকে ঢাকা মানুষের দখলে। বিক্ষোভকারীরা সরাসরি আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন।
-
৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক: কার্গিলের প্রভাবশালী ধর্মীয় সংগঠনগুলো (IKMT এবং Jamiat-ul-Ulama) যৌথভাবে সাত দিনের শোক পালন করার কথা ঘোষণা করেছে। আগামী এক সপ্তাহ কার্গিলে কোনো উৎসব বা বাণিজ্যিক অনুষ্ঠান হবে না বলে জানানো হয়েছে।
-
কড়া নিরাপত্তা: বিক্ষোভ মিছিলে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে স্থানীয় প্রশাসন। কার্গিল ও দ্রাসের সংযোগকারী রাস্তাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কার্গিলের শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে খামেনেই শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, বরং এক আধ্যাত্মিক শক্তি ছিলেন। এই শোকের আবহ কেবল লাদাখে নয়, কাশ্মীর উপত্যকাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। ডেইলিয়ান্টের পাঠকদের জন্য এই বিশেষ প্রতিবেদনে ধরা পড়ল রণচণ্ডী লাদাখের সেই সব ছবি ও তথ্য যা বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।