রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের বার্ষিক ‘ওপেন ডিবেট’-এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানাল ভারত। বুধবার নিউইয়র্কে ‘সশস্ত্র সংঘাতে অসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনার সময় ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বথানেনি সরাসরি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সীমান্ত-পারের সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
পার্বথানেনি বলেন, “গণহত্যা ও নৃশংসতার কলঙ্কিত ইতিহাস থাকা পাকিস্তান ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলছে, যা অত্যন্ত হাস্যকর।” রাষ্ট্রসঙ্ঘের সহায়তা মিশন (UNAMA)-এর রিপোর্ট উদ্ধৃত করে তিনি জানান, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সীমান্ত-পারের সশস্ত্র হামলায় আফগানিস্তানে অন্তত ৭৫০ জন অসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন। ৯৫টি ঘটনার মধ্যে ৯৪টির দায়ই পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বর্তায়।
ভারত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদের সব রূপই অসামরিক নাগরিকদের জন্য চরম হুমকি। যেসব রাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেয়, তাদের জবাবদিহি করতে হবে। শহরাঞ্চলে ড্রোনের ক্রমবর্ধমান অপব্যবহার এবং হাসপাতাল-স্কুলের ওপর হামলার নিন্দা করে ভারত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আহ্বান জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করে পাকিস্তানের এই ধরনের আচরণ বিশ্বশান্তির পথে বড় অন্তরায় বলে ভারত বিশ্বমঞ্চে সতর্ক করেছে।





