রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান কি এবার হতে চলেছে? বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA) নিয়ে নবান্নের অন্দরে নতুন করে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হওয়ায় এমনটাই জল্পনা দানা বেঁধেছে। সুপর্ণা পারুই-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ডিএ জট কাটানোর এক নতুন আশার আলো।
নবান্নে প্রশাসনিক দৌড়ঝাঁপ
সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, রাজ্যের একদল কর্মী ডিএ-র একটি অংশ ইতিপূর্বে পেলেও, বড় একটি অংশের ডিএ এখনও বকেয়া রয়ে গিয়েছে। এই বকেয়া পাওনা মেটানো নিয়ে অর্থ দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে নবান্নে। বিশেষ করে সামনে থাকা প্রশাসনিক লক্ষ্যমাত্রা এবং কর্মীদের অসন্তোষ প্রশমন করতেই এই তৎপরতা বলে মনে করা হচ্ছে।
ঠিক কী পরিকল্পনা সরকারের?
যদিও সরকারিভাবে এখনও কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি, তবে নবান্ন সূত্রে খবর:
ধাপে ধাপে মেটানোর ভাবনা: রাজকোষের অবস্থার কথা মাথায় রেখে এককালীন না দিয়ে ধাপে ধাপে বকেয়া ডিএ মেটানোর একটি খসড়া তৈরি হচ্ছে।
উৎসবের উপহার: আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য কোনো একটি বড় কিস্তির ঘোষণা আসতে পারে।
বাজেট বরাদ্দ: ডিএ-র জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে অর্থ দপ্তর ইতিমধ্যেই নথিপত্র খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে।
কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
দীর্ঘদিন ধরে ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসা কর্মী সংগঠনগুলি অবশ্য এই তৎপরতাকে সতর্কতার সঙ্গে দেখছে। তাদের দাবি, স্রেফ তৎপরতা নয়, চাই সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এবং বকেয়া টাকার প্রাপ্তি। কেন্দ্র এবং রাজ্যের ডিএ-র ফারাক নিয়েও ক্ষোভ রয়ে গিয়েছে কর্মীদের মধ্যে।





