রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরেই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একদিকে ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ নীতি কার্যকর করা, অন্যদিকে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশের পর, এবার সরাসরি বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার কল্যাণীতে এক প্রশাসনিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “জলদি জলদি ভাগো, তাড়াতাড়ি পালাও।” সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের অস্বাভাবিক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। হাতে ট্রলি ও লোটাকম্বল নিয়ে সীমান্ত পেরোনোর অপেক্ষায় থাকা অবৈধ অভিবাসীদের ভিড় দেখে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের ভাগ ওদের কেন দেব আমরা?” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “হাকিমপুরের ঘটনা আমি টিভিতে দেখেছি। অনুপ্রবেশকারীদের ধরলে তাদের পেছনে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত করের টাকা খরচ করে খাওয়ানোর কোনো মানে হয় না।” তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, অবৈধভাবে রাজ্যে প্রবেশকারীদের ধরার পর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে সরাসরি বিএসএফের মাধ্যমে সীমান্ত পার করে দেওয়াই প্রশাসনের লক্ষ্য। প্রসঙ্গত, রাজ্যে সরকার বদল হতেই অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কঠোর অবস্থানের বার্তা পৌঁছাতেই সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ফেরার হিড়িক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থান রাজ্যজুড়ে অনুপ্রবেশ সমস্যা সমাধানে একটি বড় মাইলফলক হতে চলেছে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরেই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একদিকে ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ নীতি কার্যকর করা, অন্যদিকে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশের পর, এবার সরাসরি বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার কল্যাণীতে এক প্রশাসনিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “জলদি জলদি ভাগো, তাড়াতাড়ি পালাও।”

সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের অস্বাভাবিক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। হাতে ট্রলি ও লোটাকম্বল নিয়ে সীমান্ত পেরোনোর অপেক্ষায় থাকা অবৈধ অভিবাসীদের ভিড় দেখে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের ভাগ ওদের কেন দেব আমরা?”

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “হাকিমপুরের ঘটনা আমি টিভিতে দেখেছি। অনুপ্রবেশকারীদের ধরলে তাদের পেছনে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত করের টাকা খরচ করে খাওয়ানোর কোনো মানে হয় না।” তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, অবৈধভাবে রাজ্যে প্রবেশকারীদের ধরার পর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে সরাসরি বিএসএফের মাধ্যমে সীমান্ত পার করে দেওয়াই প্রশাসনের লক্ষ্য।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে সরকার বদল হতেই অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কঠোর অবস্থানের বার্তা পৌঁছাতেই সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ফেরার হিড়িক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থান রাজ্যজুড়ে অনুপ্রবেশ সমস্যা সমাধানে একটি বড় মাইলফলক হতে চলেছে। c

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy