বৃহস্পতিবার রাতে সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন রাজ্যপাল নিয়ে বিস্ফোরণ ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সামাজিক মাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁকে ফোন করে জানিয়েছেন— তামিলনাড়ুর বর্তমান রাজ্যপাল আর এন রবি (R. N. Ravi) পশ্চিমবঙ্গের নতুন দায়িত্ব নিতে চলেছেন। কিন্তু এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মতামত নেওয়া তো দূর অস্ত, আমার সঙ্গে কোনো আলোচনাই করা হয়নি। এটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর সরাসরি আঘাত।” রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে আর এন রবির মতো একজন ‘কড়া’ মেজাজের প্রাক্তন আইপিএস কর্তাকে বাংলায় পাঠানো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তামিলনাড়ুতে থাকাকালীন ডিএমকে সরকারের সঙ্গে রবির সংঘাত ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এবার সেই একই পরিস্থিতি বাংলায় তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে শাসক দল। মমতার সাফ কথা, গণতান্ত্রিক রীতিনীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কেন্দ্র একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। ভোটের আগে রাজভবনের এই বদল কি নবান্নের জন্য নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ? উত্তর খুঁজছে বঙ্গ রাজনীতি।