বাংলার রাজনীতিতে ফের এক বড়সড় ধামাকা। ছাত্র রাজনীতির পরিচিত মুখ রাজন্যা হালদার এবার নিজস্ব রাজনৈতিক দল ঘোষণা করে সরাসরি বিধানসভা নির্বাচনের ময়দানে নামার সিদ্ধান্ত নিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠক করে রাজন্যা তাঁর নতুন দলের নাম প্রকাশ্যে আনেন এবং সাফ জানিয়ে দেন, আসন্ন নির্বাচনে তিনি একটি নয়, বরং দু’টি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের একসময়ের লড়াকু নেত্রী রাজন্যার এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই শাসকদলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। এদিন রাজন্যা বলেন, “মানুষের হয়ে কাজ করার জন্য কোনো বিশেষ ছাতার প্রয়োজন হয় না, সদিচ্ছাই যথেষ্ট। নতুন প্রজন্মের লড়াই এবার বিধানসভার অন্দরে শুরু হবে।” সূত্রের খবর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি হেভিওয়েট আসন এবং উত্তরবঙ্গের একটি কেন্দ্র থেকে তিনি প্রার্থী হতে পারেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজন্যার এই নতুন দল বিশেষ করে যুব ভোটারদের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে আরজি কর ইস্যু এবং ছাত্র আন্দোলনের আবহে তাঁর এই সিদ্ধান্ত শাসক ও বিরোধী—উভয় শিবিরের ভোটব্যাঙ্কেই থাবা বসাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। জোড়া আসনে প্রার্থী হয়ে রাজন্যা আসলে নিজের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সাহসেরই প্রমাণ দিতে চাইছেন। এখন দেখার, ২০২৬-এর মহারণে রাজন্যার এই ‘নতুন সমীকরণ’ কতটা সফল হয়।