তাইওয়ানকে ঘিরে ফের চিনা সামরিক বাহিনীর সক্রিয়তা তুঙ্গে। বুধবার সকালেও তাইওয়ানের আকাশসীমা এবং জলসীমায় চিনা যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজের আনাগোনা অব্যাহত রয়েছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টা পর্যন্ত ৫টি চিনা সামরিক বিমান, ৬টি নৌবাহিনীর জাহাজ এবং ৩টি সরকারি জাহাজ তাইওয়ান প্রণালীর আশেপাশে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি যুদ্ধবিমান সরাসরি তাইওয়ানের দক্ষিণ-পশ্চিম এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে (ADIZ) প্রবেশ করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনী কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারও ৯টি চিনা বিমান এবং ৯টি জাহাজ একইভাবে তাইওয়ানের জল ও আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল।
কেন এই সংঘাত?
চিন বরাবরই তাইওয়ানকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে আসছে। ১৯৪৯ সালের গৃহযুদ্ধের পর থেকে তাইওয়ানের নিজস্ব প্রশাসন ও সেনাবাহিনী থাকলেও বেজিং একে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ দ্বীপ হিসেবে গণ্য করে। ১৬৮৩ সালের কিং বংশের শাসন থেকে শুরু করে ১৮৯৫ সালের জাপানি উপনিবেশ এবং পরবর্তী গৃহযুদ্ধের ইতিহাস—সব মিলিয়ে তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব এখন বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়। বেজিং যখনই সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে, তখনই এশিয়ায় এক বড়সড় যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়।





