যুদ্ধের দামামায় বিশ্ব! আমেরিকা-চিনের মারণাস্ত্রের দৌড়ে কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ আসন্ন?

আমেরিকা ও চিনের মধ্যে মারণাস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতা এখন এক ভয়াবহ স্তরে পৌঁছেছে। সাউথ চায়না সি থেকে প্যাসিফিক—সব জায়গায় দুই দেশ একে অপরকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত। মার্কিন ‘বি-২ স্পিরিট’ স্টিলথ বম্বার থেকে চিনের ‘জে-৩৬’ যুদ্ধবিমান, অস্ত্রের এই লড়াই কার্যত যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। আমেরিকার ‘বি-২ স্পিরিট’ বম্বারের রেঞ্জ ১১,০০০ কিমি ছাড়িয়ে যাওয়ায় চিন এখন চরম চাপের মুখে। এটি ১৬,০০০ কেজি ওজনের স্মার্ট বম্ব ও পরমাণু মিসাইল বহনে সক্ষম, যা সহজেই চিনের রাডার এড়িয়ে হামলা চালাতে পারে।
ইরানের মিসাইল হানায় চিনের ‘ডংফং ১৫-বি’ প্রযুক্তির ব্যবহারের অভিযোগ আমেরিকার কপালে ভাঁজ ফেলেছে। প্যাট্রিয়ট ও থাড-এর মতো আধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে পরাস্ত করতে এই চিনা প্রযুক্তি এখন আমেরিকার প্রধান মাথাব্যথার কারণ। এর মোকাবিলায় আমেরিকা ১,০০০ নটিক্যাল মাইল রেঞ্জের নতুন ‘স্ট্যান্ড-অফ’ মিসাইল তৈরির কাজ চালাচ্ছে, যা সরাসরি মূল ভূখণ্ড চিনের ওপর নজর রাখতে সক্ষম।
আকাশের আধিপত্য বজায় রাখতে আমেরিকা এখন ষষ্ঠ প্রজন্মের ‘এফ-৪৭’ যুদ্ধবিমান তৈরিতে প্রায় ২,৮৩২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। পাল্টা জবাব দিতে চিনও তাদের ‘জে-৩৬’ ও ‘জে-৫০’ বিমান নিয়ে মাঠে নামছে। সাউথ চায়না সি, তাইওয়ান স্টেট এবং জাপানের ওকিনাওয়ার ঘাঁটির সুরক্ষায় এই অস্ত্র প্রতিযোগিতা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে যুদ্ধের বারুদ ছড়িয়ে দিয়েছে। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং ‘হয় এখন নয়তো কখনো না’—এমনই পরিস্থিতির মুখে দাঁড়িয়ে দুই মহাশক্তি।