মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন বারুদের গন্ধে ভারী। ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আঁচ এসে লেগেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের এক সাধারণ পরিবারে। জীবিকার তাগিদে বছর দুয়েক আগে সৌদি আরবে পাড়ি দিয়েছিলেন রায়গঞ্জের বাসিন্দা সুমিত (নাম পরিবর্তিত)। কিন্তু বর্তমানে রিয়াধ এবং তার সংলগ্ন এলাকায় ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলার খবর চাউর হতেই চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের।
সুমিতের স্ত্রী জানান, গত দুদিন ধরে স্বামী ঠিকমতো ফোন করতে পারছেন না। নেটওয়ার্কের সমস্যা এবং ক্রমাগত সাইরেনের শব্দে ভিডিও কলেও কথা বলা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। “তিনি জানিয়েছেন, যে কোনো সময় বাঙ্কারে চলে যেতে হতে পারে। খাবার আর পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে ওখানে,” কান্নায় ভেঙে পড়ে বলছিলেন ওই বধূ। রায়গঞ্জের এই পরিবারের মতো আরও বহু পরিবার প্রিয়জনের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের আশায় প্রহর গুনছে। আকাশপথ বন্ধ থাকায় এই মুহূর্তে ফেরার কোনো পথ নেই বললেই চলে।
ইতিমধ্যেই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর জারি করা হয়েছে। রায়গঞ্জের ওই পরিবার স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বিদেশ মন্ত্রকের সাহায্য চেয়েছে। যুদ্ধের অন্ধকার কাটিয়ে সুমিত কবে সুস্থ শরীরে বাড়ি ফিরবেন, সেই স্বস্তির আলোর অপেক্ষাতেই এখন গোটা গ্রাম। ডেইলিয়ান্টের পাঠকদের জন্য এই মানবিক সংকটের প্রতিটি আপডেট আমরা পৌঁছে দিচ্ছি সরাসরি।