ভোটবঙ্গের অন্তিম লগ্নে রাজনীতির আঙিনায় ঢুকে পড়ল কুরুচিকর ‘মিম’ সংস্কৃতি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিকৃত ও কুরুচিকর ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। বিষয়টি নজরে আসা মাত্রই নজিরবিহীন কড়া অবস্থান নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে ওই ভিডিয়োর উৎস খুঁজে বের করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই ভাইরাল ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আগামীকাল বুধবার রাজ্যের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার হাইভোল্টেজ নির্বাচন। তার আগে কমিশনের এই সক্রিয়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি আইটি সেলকেও এই নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। শুধু মিম বিতর্কই নয়, দ্বিতীয় দফার ভোটকে নিশ্ছিদ্র করতে একগুচ্ছ নতুন গাইডলাইন জারি করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রথম দফায় ৯৩ শতাংশ ভোটদানের যে রেকর্ড তৈরি হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় লক্ষ্য তার চেয়েও বেশি। এবার আসনের সংখ্যা কম (১৪২) হওয়ায় এরিয়া ডমিনেশন এবং নিরাপত্তা আরও নিঁখুত হবে।
ভোটারদের আশ্বস্ত করে কমিশন জানিয়েছে, কোনওভাবেই ভয় পাওয়ার কারণ নেই। প্রতিটি বুথে কঠোর নজরদারি চলবে এবং ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওয়েবকাস্টিং ক্যামেরা বন্ধ করা যাবে না। রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা ছিটেফোঁটা অশান্তির খবর পাওয়া গেলেও ভোটের দিন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ বদ্ধপরিকর। যদি কোনও ভোটার বাধা পান, তবে সরাসরি কন্ট্রোল রুম বা স্থানীয় থানার পাশাপাশি হাতের কাছে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সাহায্য নিতে বলা হয়েছে।





