উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলা সফরে গিয়ে এক ঐতিহাসিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মহম্মদী বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ‘মিয়াঁপুর’ গ্রামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হল ‘রবীন্দ্রনাথনগর’। নাম পরিবর্তনের পাশাপাশি কয়েক দশক ধরে শিকড়হীন অবস্থায় থাকা ৩৩১টি বাংলাদেশি হিন্দু পরিবারের হাতে জমির মালিকানা স্বত্ব বা পাট্টা তুলে দেন তিনি।
জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যে গ্রামে কোনো ‘মিয়াঁ’ নেই, সেই গ্রামের নাম কেন এমন রাখা হয়েছিল? তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে এবং মানুষের আসল পরিচয় লুকিয়ে রাখতেই পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকার এই নাম দিয়েছিল। পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে এই হিন্দু পরিবারগুলি ভারতে আশ্রয় নিলেও দীর্ঘকাল অধিকারহীন ছিল। যোগী বলেন, “ডাবল ইঞ্জিন সরকার আজ আপনাদের আইনি স্বীকৃতি দিল। এখন থেকে বিশ্বকবির নামেই হবে আপনাদের পরিচয়।”
এদিন লখিমপুর খেরির উন্নয়নে ১,৩১১ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস করার পাশাপাশি থারু উপজাতি ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ৪ হাজারেরও বেশি পরিবারের হাতে জমির নথি তুলে দেন তিনি। সমাজবাদী পার্টিকে আক্রমণ করে যোগী জানান, উন্নয়ন এখন আর একটি বিশেষ পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং রাজ্যের ২৫ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।





