আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় নতুন মোড়। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করলেন আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট আখতার আলি। তবে তাঁর এই পদক্ষেপের পরেই তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর পক্ষ থেকে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সিবিআই সূত্রে কার্যত কটাক্ষ করে জানানো হয়েছে, “মিডিয়া বাইট দেওয়ার জন্য উনি (আখতার আলি) অত্যন্ত ফিট, কিন্তু তদন্তে কতটা সহায়ক তা সময় বলবে।”
আখতার আলিই প্রথম ব্যক্তি ছিলেন যিনি আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন। পরবর্তীতে আইনি জটিলতায় তাঁর নামও জড়িয়ে পড়ে। এদিন আলিপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান তিনি। কিন্তু সিবিআই-এর আইনজীবীরা তাঁর অসহযোগিতার দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁদের দাবি, ক্যামেরার সামনে দীর্ঘ বক্তব্য রাখলেও জিজ্ঞাসাবাদের সময় অনেক তথ্যই এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। আদালতের পক্ষ থেকে জামিন মঞ্জুর করা হলেও, তাঁকে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই চাপানউতোরের মাঝেই প্রশ্ন উঠছে, আরজি করের দুর্নীতির জালে কি তবে আরও বড় কোনো নাম জড়িয়ে রয়েছে?