প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ফোনালাপ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছিল জোর জল্পনা। কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি ছিল, ট্রাম্পের মার-এ-লাগো বাসভবন থেকে করা এই ফোনে উপস্থিত ছিলেন ধনকুবের ইলন মাস্কও। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA) আজ এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সেই সমস্ত জল্পনা খারিজ করে দিয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে আলোচনা ছিল সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক এবং সেখানে তৃতীয় কোনো ব্যক্তির প্রভাব বা উপস্থিতি ছিল না।
মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেছেন যে, ফোনালাপের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতি। ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন এবং ইরান কেন্দ্রিক যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মোদি ও ট্রাম্প। প্রধানমন্ত্রী মোদি শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। বিদেশ মন্ত্রকের মতে, ট্রাম্প ও মোদির এই কথোপকথন ছিল অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং সেখানে ইলন মাস্কের উপস্থিতি নিয়ে যে খবর ছড়িয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই।
ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগ্রহী। সন্ত্রাসবাদ দমন এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ভারত ও আমেরিকা একসাথে কাজ করবে। তবে মাস্কের মতো ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্বের প্রশাসনিক স্তরে উপস্থিতির বিষয়টি এড়িয়ে গেছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের এই বার্তা কার্যত স্পষ্ট করে দিল যে, ভারত সরকারি স্তরে প্রোটোকল মেনে চলতেই অভ্যস্ত।