মাসের শুরুতেই বড় ধাক্কা! লক্ষ্মীবারে ঝড়ের গতিতে বাড়ল সোনার দাম, একলাফে কত হল জানুন!

মাসের শুরুতেই সোনার বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা লক্ষ করা গেল। সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতা কাটিয়ে বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ লক্ষ্মীবারের সকালে হঠাৎই ঝড়ের গতিতে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে স্বর্ণ বাজার। একধাক্কায় প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দামে কয়েক হাজার টাকার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। আসন্ন উৎসবের আবহে ও বিয়ের মরশুমের ঠিক প্রাক্কালে ২২ ক্যারাট এবং ২৪ ক্যারাট—উভয় প্রকার সোনার দামই ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সাধারণ মধ্যবিত্ত ও ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
আজ, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলিতে সোনার বাজারদর একনজরে দেখে নেওয়া যাক:
কলকাতায় আজ ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম রয়েছে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা এবং ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম ছুঁয়েছে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৫০ টাকা। অন্যদিকে, দেশের রাজধানী দিল্লিতে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৫০ টাকায় এবং ২৪ ক্যারাট সোনা মিলছে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৫০০ টাকায়। বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনা ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা এবং ২৪ ক্যারাট সোনা ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৫০ টাকায় উপলব্ধ।
আহমেদাবাদে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৫০ টাকা ও ২৪ ক্যারাট ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৪০০ টাকা। পুনে ও বেঙ্গালুরুতে দাম মুম্বইয়ের সঙ্গেই সামঞ্জস্য রেখে যথাক্রমে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা এবং ২৪ ক্যারাট ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৫০ টাকায় বিকোচ্ছে। জয়পুরে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনা ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৫০ টাকা এবং ২৪ ক্যারাট ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। লখনউ ও গুরুগ্রামে ২২ ক্যারাট সোনার দাম ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৫০ টাকা এবং ২৪ ক্যারাট ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা রেকর্ড করা হয়েছে।
দক্ষিণ ভারতের অন্যতম প্রধান মেট্রোপলিটন শহর চেন্নাইতে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা এবং ২৪ ক্যারাট সোনার দাম ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৫০ টাকা। ভুবনেশ্বর ও হায়দরাবাজেও ২২ ক্যারাট ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা এবং ২৪ ক্যারাট ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৫০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। পাটনায় ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনা ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৫০ টাকা এবং ২৪ ক্যারাট ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৪০০ টাকায় বিকোচ্ছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারের চালচিত্র এবং বৈদেশিক মুদ্রার হারের ওঠানামার ওপর নির্ভর করেই মূলত এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।