মালদহের রাজনৈতিক আকাশ থেকে খসে পড়ল এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। বুধবার কলকাতার এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী, যাঁকে গোটা বাংলা ‘ডালু’ নামেই চিনত। তাঁর প্রয়াণের সঙ্গে সঙ্গেই জেলার দীর্ঘ কয়েক দশকের এক রাজনৈতিক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল। বৃহস্পতিবার মালদহের কোতোয়ালি ভবনে ডালু বাবুর দেহ পৌঁছালে কান্নার রোল ওঠে অনুগামীদের মধ্যে।
পারিবারিক রীতি মেনে, তাঁর প্রিয় অগ্রজ তথা কিংবদন্তি জননেতা এ.বি.এ গনিখান চৌধুরীর মাজারের পাশেই তাঁকে সমাহিত করা হয়েছে। দুই ভাইয়ের এই শেষ মিলন এক অনন্য আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর পুত্র ইশা খান চৌধুরীসহ পরিবারের সদস্যরা এবং হাজার হাজার শোকাতুর মানুষ। প্রিয় নেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা জেলাজুড়ে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ারে তিনি কেবল গনিখানের উত্তরসূরি হিসেবেই নন, বরং সাধারণ মানুষের ঘরের মানুষ হিসেবে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন। ডালু বাবুর সম্মানে বৃহস্পতিবার জেলার সমস্ত নির্বাচনী প্রচার ও দলীয় কর্মসূচি স্থগিত রাখার ঘোষণা করেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। মালদহের প্রতিটি দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রেখে এই মহান জননেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।





