মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে ঘটে গেল এক অভাবনীয় এবং হাড়হিম করা পৈশাচিক ঘটনা, যা শুনে স্তম্ভিত গোটা দেশ। প্রকাশ্য দিবালোকে এক কিশোরকে নৃশংসভাবে হত্যা করার পর তার রক্তপান এবং শরীরের মাংস ও ঘিলু চিবিয়ে খাওয়ার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা শুনে খোদ পুলিশ আধিকারিকদেরও আত্মারাম খাঁচা হওয়ার জোগাড়। সভ্য সমাজে এমন আদিম ও বর্বরোচিত ঘটনা ঘটতে পারে, তা কল্পনা করতে পারছে না স্থানীয় বাসিন্দারা।
ঘটনার সূত্রপাত জবলপুরের এক জনবহুল এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি আচমকাই এক কিশোরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে খুন করে। কিন্তু শিউরে ওঠা বিষয় হলো খুনের পরবর্তী ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কিশোরটি নিথর হয়ে যাওয়ার পর ওই ব্যক্তি তার ক্ষতবিক্ষত শরীর থেকে রক্ত নিয়ে পান করতে শুরু করে। এখানেই শেষ নয়, উন্মত্তের মতো সে মৃতদেহের ঘিলু বের করে চিবিয়ে খেতে থাকে। রাস্তার মাঝখানে এমন পৈশাচিক দৃশ্য দেখে উপস্থিত জনতা ভয়ে সিঁটিয়ে যান। কেউ কেউ সাহস করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের দিকেও তেড়ে যায় ওই ঘাতক।
পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। পুলিশ যখন তাকে আটক করে, তখনও তার মুখ ও পোশাকে লেগে ছিল তাজা রক্ত। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিযুক্ত ব্যক্তি তীব্র কোনো মানসিক বিকৃতির শিকার হতে পারে অথবা সে কোনো তান্ত্রিক আচারের সঙ্গে যুক্ত। তবে স্থানীয়দের মতে, ওই এলাকায় তাকে এর আগে কখনও এমন হিংস্র হতে দেখা যায়নি। মৃত কিশোরের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে, মানুষের মনে প্রশ্ন একটাই— আমরা কি কোনো সভ্য সমাজে বাস করছি?