মাঝ আকাশে হঠাৎ ইঞ্জিনে ত্রুটি! বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে কীভাবে রক্ষা পেল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমান?

মাঝ আকাশে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বিমান। কোচি থেকে আবুধাবিগামী বিমানটিতে আচমকাই মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। ফ্লাইটের মাঝপথেই বিমানের একটি ইঞ্জিনে তেলের পরিমাণ দ্রুত কমতে শুরু করায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির গুরুত্ব ও ভয়াবহতা উপলব্ধি করে কালবিলম্ব না করে বিমানের গতিপথ ঘুরিয়ে নেন অভিজ্ঞ পাইলট। শেষ পর্যন্ত সমস্ত ঝুঁকি এড়িয়ে নিরাপদে কোচি বিমানবন্দরেই ফিরে আসে বিমানটি।
সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বোয়িং ৭৩৭ মডেলের ওই বিমানটি সেই সময় আকাশে প্রায় ৩৬,০০০ ফুট উচ্চতায় ক্রুজিং মোডে ছিল এবং স্বাভাবিক নিয়মেই নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই পাইলট ও কো-পাইলট ককপিটের ড্যাশবোর্ডে লক্ষ্য করেন যে, বিমানের এক নম্বর ইঞ্জিনের তেলের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে ও আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে। পরিস্থিতি দ্রুত মূল্যায়ন করার পর ক্রু সদস্যরা আবুধাবির পথে যাত্রা অবিলম্বে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন এবং বিমানটিকে নিরাপদে কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেন।
মাঝ আকাশে বিমানের সংকটজনক পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ ধারণ করে যখন এক নম্বর ইঞ্জিনের তেল বা অয়েল প্রেশার বিপজ্জনক নিম্ন সীমায় নেমে যায়। সঙ্গে সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের ক্রুরা জরুরি এভিয়েশন প্রোটোকল মেনে চলেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিনটিকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেন। শুধুমাত্র একটি মাত্র ইঞ্জিন সচল রেখেই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বিমানটিকে কোচিন বিমানবন্দরে সুরক্ষিতভাবে অবতরণ করান পাইলট। যদিও ওই নির্দিষ্ট বিমানে ঠিক কতজন যাত্রী এবং কেবিন ক্রু সদস্য বা পাইলট উপস্থিত ছিলেন, সে বিষয়ে বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান বা সম্পূর্ণ তথ্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে এই চাঞ্চল্যকর আকস্মিক দুর্ঘটনার খবর সামনে আসতেই বিমানযাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।