মরশুমে মাছ নেই, তার ওপর চুরি! লোকসানের মুখে মৎস্যজীবীরা, নামখানায় অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ

চলতি মরশুমে সমুদ্রে মাছের দেখা না পাওয়ায় যখন মৎস্যজীবীরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে, ঠিক তখনই নতুন করে উৎপাত শুরু হলো। নামখানার হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রলারগুলি থেকে গভীর রাতে ডিজেল ও মাছ চুরি হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মৎস্যজীবীরা শেষ পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
চুরির পদ্ধতি ও ক্ষয়ক্ষতি: ট্রলার মালিকদের অভিযোগ, রাতে নোঙর করা ট্রলারগুলি থেকে প্রায়শই ডিজেল চুরি হয়ে যাচ্ছে এবং সেই ডিজেল কম দামে খোলাবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। শুধু ডিজেলই নয়, সমুদ্র থেকে কোনোমতে ধরে আনা সামান্য মাছও চুরি হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ।
মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, এমনিতেই এবছর মরশুমের শুরু থেকেই কাঙ্ক্ষিত মাছের দেখা মেলেনি, ফলে ট্রলার চালানোর খরচও অনেকের ওঠেনি। তার ওপর এভাবে চুরি হওয়ায় তাঁদের আর্থিক ক্ষতি আরও বেড়ে যাচ্ছে।
সংগঠনের হস্তক্ষেপ ও সন্দেহ: বিষয়টি কাকদ্বীপের দু’টি মৎস্যজীবী সংগঠনকে জানানো হয়েছে। সংগঠনের সম্পাদক বিজন মাইতি ও সতীনাথ বিষয়টি অবগত হয়েছেন। মৎস্যজীবী সংগঠনগুলি জানিয়েছে, তাদের অনুমান, এই ঘটনার সঙ্গে কিছু অসাধু মৎস্যজীবী জড়িত থাকতে পারে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তারা গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং পুলিশ প্রশাসনকে এই বিষয়ে অবগত করা হয়েছে। প্রশাসনও অভিযোগটি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে।
চুরি ও আর্থিক লোকসানের এই নতুন কারণে মৎস্যজীবীরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।