রাজ্য রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন ও বিস্ফোরক মোড়! শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে চলা দীর্ঘ টানাপোড়েনের মাঝে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রতকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ। এখানেই শেষ নয়, অধ্যক্ষের এই সিদ্ধান্তে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন মূল শিবির।
অধ্যক্ষের এই স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে দলের বিক্ষুব্ধ অংশকেই ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে পরোক্ষ বৈধতা দেওয়া হলো বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। যা তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কেন এই পরিস্থিতি? গত বেশ কিছু সময় ধরে দলের অন্দরের মতপার্থক্য চরমে পৌঁছেছিল। ঋতব্রত এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন ৫৮ জনের দলটি বরাবরই সংগঠনের পুরনো নীতি নিয়ে সরব ছিলেন। আজ অধ্যক্ষের এই সিদ্ধান্তে সরকারিভাবে সেই সংঘাত নতুন মাত্রা পেল। একদিকে যখন মমতা-অভিষেক শিবিরকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে, ঠিক তখনই বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রতর এই নতুন পরিচয় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের অংকের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে জল্পনা তুঙ্গে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক মুখে দাঁড়িয়ে দলের এই ভাঙন এবং অধ্যক্ষের এই অবস্থান তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। এখন দেখার বিষয়, মমতা-অভিষেক এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঠিক কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।





