নদীয়ার শান্তিপুরে ফের এক অমানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল এলাকাবাসী। মঙ্গলবার সকালে শান্তিপুর থানার নবলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ঢাকুরিয়া এলাকায় একটি মন্দিরের পিছন থেকে এক সদ্যোজাত কন্যা সন্তানের দেহ উদ্ধার হয়। একটি ব্যাগের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া ওই শিশুর নিথর দেহকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ৭টা নাগাদ ঢাকুরিয়া এলাকার একটি মন্দিরের পিছনে কলাবাগানের ধারে একটি সন্দেহজনক ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন প্রাতঃভ্রমণকারীরা। কৌতূহলবশত ব্যাগের ভেতর উঁকি মারতেই আঁতকে ওঠেন তাঁরা। দেখা যায়, ব্যাগের ভেতর পড়ে রয়েছে এক সদ্যোজাত কন্যা সন্তানের দেহ। মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় শান্তিপুর থানায়। পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে রানাঘাট হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
রানাঘাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার আশিস মৈজ্য জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, শিশুটির বয়স বড়জোর এক বা দুই দিন। কন্যা সন্তান হওয়ার কারণেই কি তাকে এভাবে ফেলে যাওয়া হলো, নাকি এর পিছনে কোনো অবৈধ সম্পর্কের গল্প রয়েছে— তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পা সরকার ও সবিতা বিশ্বাসদের দাবি, পুলিশ দ্রুত খুঁজে বের করুক কারা এই হীন কাজের সঙ্গে জড়িত। উল্লেখ্য, এর আগেও শান্তিপুরের ফুলিয়া এলাকায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, যা নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা।





