মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের আঁচ এবার সরাসরি এসে পড়ল ভারতের অর্থভাণ্ডারে। গত ৪টি ট্রেডিং সেশনে ভারত থেকে প্রায় ২১,০০০ কোটি টাকার বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগ (FPI) বেরিয়ে গিয়েছে। আজ ৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা এবং জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতের বাজার থেকে দ্রুত টাকা তুলে নিতে শুরু করেছেন।
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বাজার পর থেকেই আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা ‘সেফ হেভেন’ বা সুরক্ষিত আশ্রয়ের খোঁজে ভারতের মতো উন্নয়নশীল বাজার থেকে পুঁজি সরিয়ে নিচ্ছেন। এর ফলে সেনসেক্স এবং নিফটি—উভয় সূচকই বড়সড় পতনের মুখে পড়েছে। মাত্র ৪ দিনের মধ্যে লগ্নিকারীদের এই বিশাল পরিমাণ অর্থ প্রত্যাহার ভারতীয় মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, যার ফলে ডলারের তুলনায় টাকার দামও রেকর্ড হারে হ্রাস পেয়েছে।
ভয়ংকর বিষয় হলো, কাঁচা তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভারত তার চাহিদার বড় অংশই আমদানি করে, তাই জ্বালানির দাম বাড়লে দেশে মুদ্রাস্ফীতি চরমে পৌঁছাতে পারে। ৫৫০ শব্দের এই বিশেষ প্রতিবেদনে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে যে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে বিদেশি লগ্নিকারীদের এই বহির্গমন আরও বাড়তে পারে, যা ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাকেও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেবে।
🔹 Hindi Version: