পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান যুদ্ধের দাবানল এবার সরাসরি প্রভাব ফেলল বাংলাদেশের জনজীবনে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের আকাশছোঁয়া দাম এবং সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় চরম বিদ্যুৎ সংকটের মুখে দেশ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। জানা গেছে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের বেশ কিছু প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার বা অনলাইন ক্লাসে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি সূত্রে খবর, জ্বালানি আমদানিতে টান পড়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনতেই বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস, হোস্টেল এবং ল্যাবে বিদ্যুতের ব্যবহার কমানোর এই কঠোর পদক্ষেপ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, “দেশের এই সংকটকালে বিদ্যুৎ বাঁচানোই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই আপাতত সশরীরে ক্লাস বন্ধ রেখে অনলাইনের মাধ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।” সাধারণ মানুষের আশঙ্কা, এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে কেবল শিক্ষা নয়, শিল্প ও কৃষি ক্ষেত্রেও নেমে আসতে পারে ঘোর অন্ধকার। সরকারের এই সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে।