মধ্যপ্রদেশ থেকে এক হাড়হিম করা অপরাধের খবর সামনে এসেছে যা সভ্য সমাজকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এক এমবিএ (MBA) ছাত্রীকে নৃশংসভাবে খুনের পর তাঁর মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম বা ‘নেক্রোফিলিয়া’র (Necrophilia) মতো জঘন্য অভিযোগ উঠেছে তাঁরই প্রেমিকের বিরুদ্ধে। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে, কিন্তু জেরার মুখে তাঁর নির্বিকার ভঙ্গি দেখে অভিজ্ঞ পুলিশ অফিসারদেরও চোখ কপালে উঠেছে।
ঘটনার নৃশংসতা: তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, অভিযুক্ত যুবক প্রথমে তাঁর প্রেমিকাকে ধর্ষণ করেন এবং পরে শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করেন। কিন্তু পৈশাচিকতার এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ, তরুণীর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর মৃতদেহের ওপর পাশবিক যৌন নির্যাতন চালান ওই যুবক। ঘটনার পর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও করেন তিনি, কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় শেষ রক্ষা হয়নি।
পুলিশের পর্যবেক্ষণ: ১৮ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে আটটা নাগাদ পুলিশ এই মামলার চাঞ্চল্যকর মোড় সামনে আনে। সোহিনী চক্রবর্তী পরিবেশিত এই খবরে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভিযুক্তের মধ্যে অনুশোচনার লেশমাত্র নেই। বরং তিনি গোটা বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত ‘তাচ্ছিল্য’ প্রকাশ করছেন। পুলিশের ভাষায়, এটি কেবল একটি খুন নয়, বরং এক চরম মানসিক বিকৃতির বহিঃপ্রকাশ। অভিযুক্তের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।