ভোটের ডিউটিতে এসে রক্তক্ষয়ী পরিণতি! ডায়মন্ড হারবারে বারান্দায় পড়ে জওয়ান, রহস্য না দুর্ঘটনা?

ভোটের আবহে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ও রহস্যজনক ঘটনা। ডিউটিতে আসা এক কেন্দ্রীয় জওয়ানের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মৃত জওয়ানের নাম কনক কোচ (৩৮), যিনি অসমের বাসিন্দা এবং ITBP-র ৮৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নের হেড কনস্টেবল ছিলেন।
বারান্দায় মিলল রক্তাক্ত দেহ
ঘটনাটি ঘটেছে ফলতা থানার দোস্তিপুর হাইস্কুলে, যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প করা হয়েছিল। বুধবার রাতে সহকর্মীদের সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়েছিলেন কনক। গভীর রাতে এক জওয়ান শৌচাগারে যাওয়ার সময় দেখেন, বারান্দায় উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছেন কনক কোচ। তাঁর শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সিঁড়ি থেকে অসাবধানবশত পড়ে গিয়েই এই দুর্ঘটনা। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ স্পষ্ট হবে।
উড়িষ্যায় বাঙালি শ্রমিকদের ‘বাংলাদেশি’ তকমা!
অন্য দিকে, উড়িষ্যায় ভোট দিতে আসার আগে ১৭ জন বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিককে পুলিশি হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দা এই শ্রমিকরা উড়িষ্যায় কাপড়ের ব্যবসা করতেন। পরিবারের দাবি, বুধবার রাতে উড়িষ্যা পুলিশ তাঁদের নথিপত্র পরীক্ষা করে এবং শুধু বাংলায় কথা বলার অপরাধে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে আটক করে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদার রাজনীতিতে পারদ চড়ছে। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোট রুখতেই বিজেপি শাসিত উড়িষ্যা পুলিশ এই চক্রান্ত করেছে। যদিও বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর পাল্টা তোপ, “বাংলাদেশিদের এ দেশে ঠাঁই নেই।” এই ইস্যুতে মালদার ভিঙ্গল এলাকায় বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যকেও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। ভোট দিতে আসার আগে নিজের রাজ্যের শ্রমিকদের এমন দশায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁদের পরিজনেরা।