উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গেল। আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, আর তার আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে লখনউতে সাজসাজ রব। অধিবেশন শুরুর ঠিক আগেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ লখনউতে এক ‘জনতা দর্শন’ কর্মসূচির আয়োজন করেন। সেখানে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ ব্যক্তিগতভাবে শোনেন তিনি এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ দেন।
অধিবেশনের বিশেষত্ব:
সময়সীমা: ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই অধিবেশন। এটিই এই বছরের প্রথম বিধানসভা বৈঠক।
অতিরিক্ত আলোচনার সুযোগ: প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আলোচনার জন্য বিশেষ সময় বরাদ্দ করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি সদস্য তাঁদের মতামত জানাতে পারেন।
স্পিকারের লক্ষ্য: বিধানসভার স্পিকার সতীশ মহানা এ বছর অন্তত ৩০ দিন হাউস চালানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন এবং বিরোধীদের হট্টগোল ছেড়ে গঠনমূলক বিতর্কে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাজেট অধিবেশনের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিধানসভা ভবনের চারপাশে পুলিশের পাশাপাশি র্যাপিড রেসপন্স ফোর্স (RRF) মোতায়েন করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, এটি একটি অত্যন্ত ইতিবাচক অধিবেশন হতে চলেছে। অন্যদিকে, এনডিএ বিধায়ক দানিশ আনসারি বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, যোগী সরকারের আমলে রাজ্যে শিক্ষা ও আইনের শাসনের যে উন্নতি হয়েছে, তা নিয়ে বিরোধীদের বলার কিছু নেই বলেই তারা কেবল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।