ভোটার তালিকা থেকে নাম উধাও? জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা নিয়ে দিল্লি কাঁপাচ্ছে কারা?

হালয়ার দিন রাজধানী দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড় চালায় পুলিশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) বাতিলের দাবিতে উত্তাল দিল্লি। আন্দোলন দমাতে বিমান অবতরণের পর এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের ভেতর থেকেই নাটকীয়ভাবে আটক করা হয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে। তবে রবিবার সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হলে শর্তসাপেক্ষে তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতের নির্দেশে সিজেপি নেতারা ছাড়া পান। তবে আগামী এক বছরের জন্য তাঁরা কোনো প্রকার শান্তি ভঙ্গ করতে পারবেন না—এই মর্মে মুচলেকা দিতে হয়েছে। সিজেপির লিগাল হেড রত্না সিং সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জেলের তালা খুলতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে সিজেপি নেতৃত্ব। দলীয় বিবৃতিতে সাফ জানানো হয়েছে, “আরশোলারা কখনও মরে না! অবশেষে দিল্লি পুলিশ আমাদের নেতাদের ছাড়তে বাধ্য হল।” দুপুর ২টোয় জরুরি সাংবাদিক বৈঠকের ডাক দিয়েছেন আশুতোষ রাঙ্কা।

অন্যদিকে, শনিবার গুরুগ্রাম থেকে আটক হওয়া জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও গভীর রাতে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে যন্তর মন্তরে পুনরায় পৌঁছানোর চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার দিল্লিজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা সত্ত্বেও শতাধিক বিরোধী নেতা ও সহস্রাধিক বিক্ষোভকারী রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানান। রবিবার আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনেও দিল্লির আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যন্তর মন্তর ও সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলিতে নজিরবিহীন পুলিশি কড়াকড়ি বজায় রয়েছে।