পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা যুক্তিহীন অসঙ্গতি ঘিরে তৈরি হওয়া জট খুলতে আজ ফের সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এই মামলাটি উঠবে। এর আগে শীর্ষ আদালত সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে এক নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছিল। রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে তৈরি হওয়া ‘আস্থার অভাব’ কাটাতে এবার ভোটার তালিকার তথ্য যাচাইয়ের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেলা বিচারক পদমর্যাদার অফিসারদের।
কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নির্দেশে ইতিমধ্যেই প্রায় ২০০ জন বর্তমান ও প্রাক্তন জুডিশিয়াল অফিসার কাজ শুরু করেছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রায় ৬০ লক্ষ আবেদনের নিষ্পত্তি করতে হবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে। সোমবারই এই নিয়ে নবান্নের শীর্ষ কর্তা এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-র সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। কমিশনের সফটওয়্যারে ধরা পড়া ১ কোটি ২৫ লক্ষ ভোটারের তথ্যে অসামঞ্জস্য দূর করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ২৮শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং প্রয়োজনে অসম্পূর্ণ তথ্যের জন্য সাপ্লিমেন্টারি তালিকাও আনা যেতে পারে। আজকের শুনানি ঠিক করে দেবে ভোটার তালিকা সংশোধনের ভবিষ্যৎ গতিপথ।