মালদহের মোথাবাড়িতে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে যুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। শুক্রবার দুপুরের মধ্যেই এনআইএ-র একটি বিশেষ দল মোথাবাড়ি থানায় পৌঁছে তদন্তভার বুঝে নিচ্ছে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
শীর্ষ আদালতের কড়া অবস্থান:
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ‘ভেঙে পড়েছে’। নিরাপত্তার গাফিলতির অভিযোগে রাজ্যের পুলিশ ডিজি (DG), মালদহের জেলাশাসক (DM) এবং পুলিশ সুপারকে (SP) শো-কজ নোটিশ ধরিয়েছে আদালত। আগামী ৬ এপ্রিল ভার্চুয়াল শুনানিতে তাঁদের সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। উত্তরবঙ্গের এডিজি-ও স্বীকার করে নিয়েছেন যে, সেদিন বিচারকদের উদ্ধার করতে পুলিশের দেরি হয়েছিল।
তদন্তের মূল নিশানায় কারা?
পুলিশের দাবি, এই হামলার মূল চক্রী ধৃত আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলাম, যার উস্কানিতেই জনতা মারমুখী হয়ে ওঠে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ইতিমধ্যেই আইএসএফ (ISF) প্রার্থী মৌলানা শাহজাহান আলি-সহ ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালত তাঁদের ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এনআইএ খতিয়ে দেখবে, নিরাপত্তা নিয়ে আগাম আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও কেন আধিকারিকদের সরানো হয়নি। আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যেই প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। বর্তমানে ওই এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও পুলিশি টহল জারি রয়েছে।





