ছুটির দিনের সকালে শ্রীনগর বিমানবন্দরে ব্যাপক চাঞ্চল্য। নিরাপত্তারক্ষীদের রুটিন তল্লাশিতে আটক হলেন দুই মার্কিন নাগরিক। তাঁদের ব্যাগ থেকে এমন এক বস্তু উদ্ধার হয়েছে যা ভারতের বর্তমান নিরাপত্তা আইনে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
নিষিদ্ধ স্যাটেলাইট ফোন ও জফ্রি স্কট
বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বিমানে ওঠার আগে নিয়মিত তল্লাশির সময় ওই দুই মার্কিন পর্যটকের ব্যাগে একটি স্যাটেলাইট ফোন খুঁজে পাওয়া যায়। ফোনটি আমেরিকার বিখ্যাত ‘গার্মিন’ সংস্থার তৈরি। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের নাম জফ্রি স্কট, যাঁর বাড়ি আমেরিকার মন্টানায়। নিয়ম ভেঙে স্যাটেলাইট ফোন কাছে রাখার অপরাধে তাঁদের তৎক্ষণাৎ আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
কেন ভারতে নিষিদ্ধ স্যাটেলাইট ফোন?
দেশের সুরক্ষার স্বার্থে ভারতের টেলিগ্রাফ আইন অনুযায়ী থুরায়া বা ইরিডিয়ামের মতো সংস্থার স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
অনুমতি বাধ্যতামূলক: কেন্দ্রের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের লিখিত অনুমতি ছাড়া এই ফোন রাখা বা ব্যবহার করা যায় না।
সতর্কবার্তা: বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম সমভাবে প্রযোজ্য। নিয়ম ভাঙলে ফোন বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি জেল-জরিমানাও হতে পারে।
পুনরাবৃত্তি ঘটছে কেন?
এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। চলতি বছরেই পুদুচেরি বিমানবন্দরে এক মার্কিন চক্ষু বিশেষজ্ঞকে একই কারণে আটক করা হয়েছিল। এই ধরনের ঘটনা এড়াতে ২০২৫ সালের শুরুতেই সিভিল এভিয়েশন (DGCA) নির্দেশ দিয়েছিল যাতে বিমানসংস্থাগুলি যাত্রীদের এই নিষেধাজ্ঞার কথা আগেই জানিয়ে দেয়। তাসত্ত্বেও বারবার পর্যটকরা না জেনে বা অসাবধানতাবশত এই ‘নিষিদ্ধ’ ফোন নিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছে যাচ্ছেন।





