দিওয়ালির রাতে উৎসবের আলোর মধ্যেই বড়সড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল দিল্লিতে। সোমবার গভীর রাতে দিল্লির সঞ্জয় গান্ধী ট্রান্সপোর্ট নগরের একটি ভবনে ভয়াবহ আগুন লাগে। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ৪০টি দমকল ইঞ্জিন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণরূপে নেভানো সম্ভব হয়নি।
দিল্লি ফায়ার সার্ভিসেস (DFS) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে পটকা থেকেই এই আগুন লেগেছে।
১০০০ বর্গমিটার জুড়ে গোডাউনে আগুন
দিল্লি ফায়ার সার্ভিসেস (DFS) এর একজন কর্মকর্তা জানান, রাত ১টা ২৫ মিনিটে প্রায় ১০০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে থাকা দুটি গোডাউনে আগুন লাগার খবর আসে।
তিনি আরও যোগ করেন, “গোডাউনগুলিতে একটি বেসমেন্ট, গ্রাউন্ড ফ্লোর এবং প্রথম তলা রয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে ৪০টি দমকল ইঞ্জিন পাঠিয়েছি। গোডাউনগুলিতে মূলত অটোমোবাইলের মেরামতির সরঞ্জাম মজুত ছিল।” আগুন লাগার পরেই ফায়ার ফাইটিং দল দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ৭ জনকে সময়মতো উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে।
গতবারের তুলনায় কম কল পেয়েছে DFS
এদিকে, ডেপুটি চিফ ফায়ার অফিসার এ. কে. মালিক জানিয়েছেন, এই দিওয়ালিতে তারা মোট ২৬৯টি ফায়ার কল পেয়েছেন, যা গত বছরের ৩১৮টি কলের তুলনায় কম।
তিনি বলেন, “আমাদের দল দ্রুত সাড়া দিয়েছে, যার ফলে ছোটখাটো কোনো ঘটনা বড় আকার নেয়নি এবং কোনো নাগরিক আহত হননি। তবে জনকপুরী এলাকায় একটি বড় দুর্ঘটনায় সাতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, রূপনগর এলাকায় আরও একটি বড় ঘটনায় দু’জন দমকলকর্মী সামান্য আহত হলেও তাদের আঘাত গুরুতর নয়।”
কর্মকর্তা আরও বলেন, দিওয়ালির আগে আমরা জনসাধারণকে সাবধানে উৎসব পালনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলাম, যা জনতা কিছুটা হলেও মেনে চলেছেন বলে মনে হচ্ছে।
দিল্লির মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় উৎসবের সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এড়াতে ব্যক্তিগত সতর্কতা এবং প্রশাসনিক কড়া নজরদারি— এর মধ্যে কোনটি বেশি জরুরি বলে আপনি মনে করেন?