ভোটে অশান্তি রুখতে এবার পাহাড়ের কালিম্পং জেলা প্রশাসন এক নজিরবিহীন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিগত নির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে হিংসা কবলিত এলাকাগুলিকে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালা এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়ালের নির্দেশ মেনে কালিম্পংয়ের জেলাশাসক কুহুক ভূষণ ও পুলিশ সুপার অপরাজিতা রাই অতি-সংবেদনশীল বুথগুলি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।
নিরাপত্তার ব্লু-প্রিন্ট
জিরো টলারেন্স নীতি: প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অশান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি: ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ গড়তে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তির ব্যবহার: জেলার ২৯৩টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের প্রতিটিতেই হবে ওয়েবকাস্টিং, যাতে সরাসরি নজর রাখা যায় বুথের অন্দরে।
কালিম্পং নির্বাচনের পরিসংখ্যান ও বিশেষ ব্যবস্থা
কালিম্পং জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ১ হাজার ৯৩১ জন। এবারের বিশেষত্ব হলো:
পিঙ্ক বুথ: মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত ৪টি বিশেষ ‘পিঙ্ক বুথ’ থাকছে।
কন্ট্রোল রুম: নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগের জন্য সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।
কড়া নজরদারি: অবৈধ মদ্যপান বা আর্থিক লেনদেন রুখতে গোয়েন্দা নজরদারি দ্বিগুণ করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার অপরাজিতা রাইয়ের কড়া বার্তা— “নির্বাচনে যারা বাধা সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”





