২০২৬-এর মেগা নির্বাচনের শেষ দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হতেই সরগরম হয়ে উঠেছে বাংলার বিধানসভার অলিন্দ। ভোট মিটতে না মিটতেই বড়সড় ‘বোমা’ ফাটালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের ‘ব্যক্তিগত এক্সিট পোল’ প্রকাশ করে শুভেন্দুর দাবি— বাংলায় এবার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন কেবল সময়ের অপেক্ষা। ১৮০-র বেশি আসন নিয়ে নবান্ন দখলের পথে পদ্ম শিবির, আর খোদ ভবানীপুরেই হারছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!
ভবানীপুর নিয়ে বড় ভবিষ্যবাণী: এবারের নির্বাচনে সবথেকে নজরকাড়া লড়াই ছিল ভবানীপুরে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক বলে পরিচিত এই কেন্দ্রে এবার সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন শুভেন্দু। ভোট মিটতেই তিনি দাবি করেছেন, “ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০ হাজারেরও বেশি ভোটে হারবেন। ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতেই লিড নেবে বিজেপি।” শুধু তাই নয়, গত নির্বাচনের তুলনায় ভবানীপুরে রেকর্ড ভোটদানকে তিনি ‘পরিবর্তনের বার্তা’ হিসেবেই দেখছেন।
মার্জিন নিয়ে আত্মবিশ্বাস: বুধবার ভোটগ্রহণ চলাকালীন যখন দুপক্ষের উত্তেজনায় পারদ চড়ছিল, তখনই শুভেন্দু অধিকারী হুঙ্কার দিয়েছিলেন, “বিকেল ৬টার পর আমি মার্জিন বলে দেব।” সেই কথা রাখতেই যেন ভোট মিটতেই আত্মবিশ্বাসী মেজাজে দেখা গেল তাকে। তার দাবি অনুযায়ী, এবার বাংলায় বিপুল জনমত বিজেপির পক্ষে গিয়েছে এবং শাসক দলের দুর্নীতি ও intimidation-এর চেষ্টা ব্যর্থ করেছে বাংলার মানুষ।
বিধানসভায় জল্পনার ঝড়: ভোট পরবর্তী এই বিশ্লেষণে যখন গেরুয়া শিবির উচ্ছ্বসিত, তখন শাসক দল তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই দাবিকে ‘দিবাস্বপ্ন’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে বিধানসভার অন্দরে এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে ফলাফল নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ। শুভেন্দুর এই ‘১৮০ পার’-এর সমীকরণ কি বাস্তবে ফলবে, নাকি ফের একবার বাজি মারবে জোড়াফুল— তা জানতে মুখিয়ে আছে গোটা দেশ।
ভোটের ফলপ্রকাশের দিন ইভিএম থেকে কীসের ইঙ্গিত পাওয়া যায় এবং শেষ হাসি কে হাসবেন, তা জানতে নজর রাখুন ডেইলিয়ান্টে। আপনার এলাকায় কার পাল্লা ভারী? কমেন্টে আমাদের জানান।





