অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে চলা জল্পনায় এবার নতুন মোড়। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে ২০২৬ সালের পরিবর্তে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বর্ধিত বেতন হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হচ্ছে। যদিও সপ্তম বেতন কমিশনের মেয়াদ ২০২৫-এর ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে, তবে আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে সূত্রের খবর।
কেন ২০২৭ সালকে ধরা হচ্ছে টার্গেট? সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর নতুন পে কমিশন গঠন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলায় এই কমিশন বাস্তবায়িত হতে ২০২৭-এর শুরু পর্যন্ত সময় নিতে পারে। তবে স্বস্তির খবর হলো, কার্যকর হতে দেরি হলেও কর্মচারীরা ২০২৬-এর ১ জানুয়ারি থেকে পুরো বকেয়া বা এরিয়ার (Arrears) পাবেন।
কতটা বাড়তে পারে বেতন? (প্রস্তাবিত পরিসংখ্যান): অষ্টম বেতন কমিশনে যে পরিবর্তনগুলো আসতে পারে বলে জল্পনা তুঙ্গে:
ন্যূনতম বেতন: বর্তমানে সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা। অষ্টম বেতন কমিশনে তা বাড়িয়ে ৩৪,৫৬০ টাকা থেকে ৫২,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।
ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর: ২.৫৭ থেকে বাড়িয়ে এটি ৩.৬৮ করা হতে পারে। এটি হলে বেতন এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাবে।
পেনশনভোগীদের সুবিধা: একইভাবে পেনশনভোগীদের বেসিক পেনশনেও বড় ধরণের লাফ দেখা যাবে।
এরই মাঝে এরিয়ারের হাতছানি: পূর্ববর্তী প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদি ২০২৭-এর শুরুতে বর্ধিত বেতন কার্যকর হয়, তবে ২০২৬ সালের পুরো ১২ মাসের বকেয়া টাকা এককালীন পাবেন কর্মীরা। উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের ক্ষেত্রে এই বকেয়া বা এরিয়ারের অংকটা ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা হবে তাঁদের জন্য এক বিরাট আর্থিক ‘বোনাস’।
কবে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা? সূত্রের খবর, ২০২৬-এর কেন্দ্রীয় বাজেটে বা তার আগেই অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারেন অর্থমন্ত্রী। সরকার ইতিমধ্যেই কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে এই বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে।





